প্রেম

 


প্রেম

লেখকঃ সৈয়দ মুজতবা আলী

প্রেম সৈয়দ মুজতবা আলি এর অনুবাদ বই৷ মূল চরিত্র কাতেরিনা ও তার স্বামী এর চাকর সেরগেই এর ভালোবাসা।কাতেরিনা এর তীব্র ভালোবাসা, হিংস্রতা এবং করুণ পরিনতির এর এক মোহময় ট্রাজেডির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।

কাতেরিনা, যথেষ্ট সুশ্রী, অভাব জনিত কারণে বিয়ে হয়

 বিখ্যাত ব্যবসায়ী ইসমাইলফ পরিবারের পঞ্চাশোর্ধ জিনোভির সাথে। জিনোভির বিশ বছর সংসার করা, নিঃসন্তান স্রী এর মৃত্যুর পর বিয়ে করে কাতেরিনা কে। 

জিনোভি ও তার ৮০ বছরের বাবা কে নিয়েই তাদের পরিবার৷ বিয়ের পাঁচ বছর বছর পরও কোনো সন্তান নাহ হওয়াতে কাতেরিনা কে শুনতে হতো পরিবারের বঞ্চনা। স্বামী শ্বশুর বেরিয়ে যেতো সকালে আর আসতো রাতে, চাকর - বাকর, ঐশ্বর্য এর মাঝে নিঃসন্তান কাতেরিনা এর কাটানো একাকী নিঃসঙ্গ জীবন৷ আর এরই সুযোগ নেয় তাদের বাড়ির চতুর চাকর সেরগেই । শুরু হয় সেরগেই ও কাতেরিনা এর প্রেম।

প্রেম গোপনের জন্য নির্মমভাবে খুন করা হয় কাতারিনার শ্বশুর এবং তারপর কাতেরিনা এর স্বামী এবং তারপর সম্পত্তি আত্মসাৎ এর জন্য খুন করা হয় জিনোভি এর এক বালক ভাগ্নে। এক অপরিচিত জন দেখে ফেলার কারণে তাদের হাজির হতে হয় আদালতে৷ 

জেলখানার নির্বাসন এই হিংস্র প্রেমিক যুগলের এক নির্মম ইতি টানে৷কাতেরিনা শাস্তি স্বরূপ বেত্রাঘাতের সাথে মুখে স্থায়ী দাগ দিয়ে দেওয়া হয়।  কাতেলিনা তার জেল হাজতে প্রসবকৃত বাচ্চার প্রতি প্রকাশ করে তীব্র বিষাদ । সেরগেই কারাগারে শুরু করে অন্য এক রমনীর সাথে প্রেম। যা অসহনীয় ও অসহ্য যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাড়ায় কাতেরিনার কাছে। সেই সাথে সবার সামনে সেরগেই এর কাতেরিনা কে করা অপমান ও আছেই। 

অবশেষে কাতেরিনা এর আত্মহত্যা এর মধ্যে দিয়ে শেষ হয় এই নির্মম, হিংস্র এবং আত্মলোভী প্রেম কিংবা পরকীয়া প্রেম৷ 

তীব্র ট্রাজেডি থাকা সত্ত্বেও, কাতেরিনা এর প্রেমের জন্য এতোকিছু করা তারপর আবার বাচ্চার প্রতি ঘৃণা এবং সেরগেই এর আরও একটি প্রেম ও কাতেরিনা কে তাচ্ছিল্য করা পাঠকের মনে রেখে গেছে তীব্র দাগ সেই সাথে বিরক্তিকর তিক্ত বিষাদ।











Post a Comment (0)
Previous Post Next Post